ছবি সংগৃহীত
আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ বহু বিদেশি নাগরিকের দেশগুলোর কূটনৈতিক চাপের মুখে উদ্ধার অভিযানে সীমিত পরিসরে বিদেশি সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল। শুরুতে আন্তর্জাতিক তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও একদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কাঠমান্ডু।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ, ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক পর্যালোচনার মতো বিশেষ ক্ষেত্রে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে।
শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৫৭০ ছাড়িয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩১টি দেশের ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭৮ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকও রয়েছেন।
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দলকে সহায়তার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব দল সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ, ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে।
এর আগে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল নেপাল। পরিবর্তে দেশটি অর্থ ও ত্রাণ সহায়তা চেয়েছিল।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার কারণে প্রথমে বিদেশি উদ্ধারকারী দলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। ওই সময় বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকারী দলের ব্যাপক উপস্থিতি ও পারস্পরিক প্রতিযোগিতার কারণে উদ্ধার কার্যক্রমের সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় জটিলতা দেখা দিয়েছিল।
তবে এবারের দুর্যোগে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ থাকায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল।































