ছবি সংগৃহীত
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্তে ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ও পরীক্ষাগারে পাঠানো নমুনা বিশ্লেষণের পর এ তথ্য জানিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস।
তিনি জানান, নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহে যৌন নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মাইক্রোবায়োলজি পরীক্ষাতেও ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি। এর আগে এক ডোমের মুখে দুই নারী মরদেহে শুক্রাণু পাওয়ার দাবি ছড়ালেও চিকিৎসক তা নাকচ করেছেন।
ময়নাতদন্তে চারজনের গলায় দাগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। কারও শরীরে কাটা-ছেঁড়ার ক্ষত না থাকলেও কয়েকজনের মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
চিকিৎসক আরও জানান, দীর্ঘ সময় পর মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় সেগুলো ফুলে গিয়েছিল এবং পোকায় ধরেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখে পোড়া দাগের যে দাবি ছড়িয়েছে, সেটিও সঠিক নয়। মৃত্যুর পর ত্বকের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে শরীর কালচে হয়ে যেতে পারে।
গত শনিবার রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬০), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫০), মেয়ে আগামী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম (১২)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন ডিবির পরিদর্শক জিনাত আলী।































