ছবি সংগৃহীত
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব অঞ্চলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সভা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলার পরীক্ষা আপাতত স্থগিত থাকবে।
এদিকে বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব ও উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন একদল শিক্ষার্থী।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেসব পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষা আয়োজন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
বিক্ষোভের কারণে সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট ও উত্তরা এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানার ডিউটি অফিসার শাহীন আলম জানান, বিক্ষোভের কারণে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না করেই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।































