ছবি সংগৃহীত
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১২ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্ট সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস এলাকায় র্যাব-১৪ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ডিএনএ রিপোর্টের তথ্য সঠিক নয়।
তিনি জানান, মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার এড়াতে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। অবশেষে ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত গাজীপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন এবং গ্রেপ্তার এড়াতে মোবাইল ফোনও ব্যবহার করছিলেন না। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তেমন কোনো তথ্য দেননি। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং প্রয়োজন হলে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চার বছর আগে অভিযুক্ত শিক্ষক একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে শিশুটি পড়াশোনা করত। সম্প্রতি অসুস্থতা ও শারীরিক পরিবর্তনের পর মায়ের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি জানায় সে। গত ১৮ এপ্রিল মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষায় শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
এদিকে, শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে র্যাব জানিয়েছে, চিকিৎসকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।































