ছবি সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের পর এবার উত্তর প্রদেশেও ঈদুল আজহার নামাজ ও কুরবানি নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রোববার ভিডিও কনফারেন্সে উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
যোগী আদিত্যনাথ স্পষ্ট করে বলেন, জনসমাগমস্থল বা খোলা জায়গায় পশু কুরবানি করা যাবে না — শুধুমাত্র পূর্বনির্ধারিত স্থানেই অনুমতি মিলবে। একইভাবে রাস্তা বন্ধ করে ঈদের নামাজ পড়াও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নামাজ আদায় করতে হবে চিরাচরিত ও নির্ধারিত স্থানেই। 'নিষিদ্ধ পশু' কুরবানির বিষয়ে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণের নির্দেশও দেন তিনি।
এ ছাড়া বৈধ কসাইখানায় নির্ধারিত ধারণক্ষমতার বেশি পশু রাখা যাবে না এবং উৎসব চলাকালে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত রাখতেও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গেও কুরবানি ও পশু জবাইয়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে রাজ্যজুড়ে পশু বেচাকেনায় স্থবিরতা নেমে এসেছে এবং মুসলিম ও হিন্দু খামারি-ব্যবসায়ী উভয়পক্ষই ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন।































