ছবি সংগৃহীত
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
কোন বোর্ডে কত পাসের হার
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন।
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮১৪ জন।
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন।
বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন।
দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।
ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
প্রকাশিত ফলে কোনো পরীক্ষার্থী সংক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট হলে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এ আবেদন করা যাবে।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী কেবল অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নেয় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
গত ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।































