মঙ্গলবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯

Aloava News24 | আলোআভা নিউজ ২৪

ইলিয়াস-বাবুল আক্তারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ৬ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১৬, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

আপডেট: ১৮:১৯, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইলিয়াস-বাবুল আক্তারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ৬ নভেম্বর

ছবি সংগৃহীত

মিতু হত্যা মামলাটির তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়া, পুলিশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ছড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগে করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ও প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৬ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম হাসিবুল হকের আদালত মামলার এজাহার গ্রহণ করে এ দিন ধার্য করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া এবং ভাই হাবিবুর রহমান লাবু।

এর আগে, মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগ আনা হয়।

বনজ কুমার এজাহারে উল্লেখ করেন, তার নেতৃত্বাধীন তদন্ত সংস্থা পিবিআই, চট্টগ্রাম মেট্রা দেশের চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা তদন্তের সময় প্রধান আসামি হিসেবে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের নাম বেরিয়ে এলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জেলে থাকা বাবুল আক্তারের মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ ও পিবিআইয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য অপর আসামীরা দেশে ও বিদেশে অবস্থান করে অপরাধ মূলক বিভিন্ন অপকৌশল এবং ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাবুল আক্তার ও অন্যান্য আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনায় কথিত সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসাইন ৩ সেপ্টেম্বর বিদেশে প্রবাস থাকা অবস্থায় তার ফেসবুক আইডি থেকে  ইউটিউব একাউন্ট ‘স্ত্রী খুন স্বামী জেলে খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে একটি ভিডিও ক্লিপ আপলোড করে।

এজাহারে বলা হয়, বিভিন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে তদন্তাধীন মিতু হত্যা মামলার তদন্তকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধসহ তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে উল্লেখিত ভিডিও প্রচার করে। ইলিয়াস হোসাইন ভিডিওতে প্রচারিত বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উস্কানি, বাংলাদেশ পুলিশ এবং পুলিশের বিশেষায়িত তদন্ত সংস্থা পিবিআই ও বিশেষ করে বাদির (বনজ কুমার মজুমদার) মান-সম্মান ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে। যার জন্য দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এর নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়