রোববার ২৩ জুন ২০২৪, আষাঢ় ৯ ১৪৩১

Aloava News24 | আলোআভা নিউজ ২৪

সোহেল চৌধুরী হত্যা

আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ তিনজনের যাবজ্জীবন

আদালত ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:১৫, ৯ মে ২০২৪

আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ তিনজনের যাবজ্জীবন

ছবি: ইন্টারনেট

চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আসামির মধ্যে ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকিরা খালাস পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ( মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল--এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৬ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা হলো।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম আদনান সিদ্দিকী। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন।

অন্যদিকে খালাস পেয়েছেন সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, আশীষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী, তারিক সাঈদ মামুন, ফারুক আব্বাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন।

আদালত বলেছেন, মামলার সিডি পাওয়া যায়নি, যা গায়েব করে দেয়া হয়েছে। সাক্ষীরা গা বাঁচিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক আদনান গুলি চালান।

মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়