বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪, শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

Aloava News24 | আলোআভা নিউজ ২৪

৭০ হাজার টাকা চুক্তিতে নারী কর কর্মকর্তাকে অপহরণ: র‌্যাব

আলো আভা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৩২, ২৬ আগস্ট ২০২৩

৭০ হাজার টাকা চুক্তিতে নারী কর কর্মকর্তাকে অপহরণ: র‌্যাব

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক নারী যুগ্ম কমিশনারকে (৪৯) অপহরণের পর নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি মাসুদসহ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত গাড়িচালক মাসুদ তার সহযোগীরা জানান, ভুক্তভোগীকে অপহরণের জন্য ৭০ হাজার টাকায় চুক্তি করেছিলেন তার সাবেক স্বামী হারুন অর রশিদ। 

শনিবার (২৬ আগস্ট) ্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মাসুদসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানা গেছে নারী কর্মকর্তাকে অপহরণের পরিকল্পনায় ছিলেন তার সাবেক স্বামী হারুন অর রশীদ। আগস্ট চাকরিচ্যুত করার পর চালক মাসুদ ওই নারী কর্মকর্তার ওপর ক্ষুব্ধ হন। পরে তিনি ওই নারীর সাবেক স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন আগের স্বামী মাসুদকে নগদ ৭০ হাজার টাকা দেন। পরে মাসুদ তার পাঁচ সহযোগীর মাঝে ওই টাকা ভাগ করে দেন। নারী কর কর্মকর্তার বর্তমান চালকের সঙ্গে অপহরণকারী দলের সদস্য হাফিজের সু-সম্পর্ক ছিল। বর্তমান চালকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ওই নারীর অবস্থান জেনে নেন অপহরণকারীরা।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে আসামিদের গাজীপুরের শ্রীপুর রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

্যাব জানান, অপহরণের পর ভুক্তভোগীকে হাতিরঝিল থানা এলাকার একটি বাসায় নেয়ার কথা ছিল অপহরণকারীদের। অপরহণের পর নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছে দেয়া হলে অপহরণের হোতা মাসুম ওরফে মাসুদকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন হারুন। 

গত ১৭ আগস্ট মাসুদসহ ১০-১২ জনের একটি অপহরণকারী দল রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নম্বর গেটের সামনে থেকে মাসুমাকে মারধর করে। পরে অপহরণ করে সবুজবাগ নন্দীপাড়া কবরস্থানের পাশে একটি বাসার গ্যারেজে গাড়ির মধ্যে আটকে রাখে। পরদিন তিনি গাড়ি থেকে বেরিয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে। সে সময় সেখান থেকে তার ব্যক্তিগত গাড়ি মাসুদের তিন সহযোগীকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

শুক্রবার মাসুদার স্বামী ইলিয়াস অভিযোগ করেন, ঘটনায় তার স্ত্রীর গাড়ির সাবেক বর্তমান দুই চালক তার সাবেক স্বামী হারুনুর রশিদ জড়িত। হারুন সাবেক কর কমিশনার ছিলেন বলে পুলিশও তেমন কিছু করছে না।

 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়