ছবি সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় চুরির চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিন নারীকে বেঁধে মারধর এবং তাদের মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ডহরগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
আটক নারীরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর থানার জাহাপুর এলাকার সুমাইয়া আক্তার, খুলনার খালিশপুর থানার দিঘলিয়া এলাকার ইতি আক্তার এবং বালিয়াপাড়া এলাকার শারমিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডহরগাঁও এলাকায় সেলিম মিয়ার বাড়িতে ওই তিন নারী প্রবেশ করেন। এ সময় চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে আটক করেন। পরে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাদের চুল কেটে দেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি ভিডিওতে দেখা যায়, রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় তিন নারীকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি কাঁচি দিয়ে এক নারীর চুল কেটে দিচ্ছেন। চুল না কাটার জন্য ভুক্তভোগীরা আকুতি জানাচ্ছেন। আরেকটি ভিডিওতে একটি ভবনের ভেতরে তাদের বেঁধে রেখে মারধরের দৃশ্য দেখা যায়। ঘটনাস্থলে স্থানীয় কয়েকজন নারী-পুরুষ ও শিশুও উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সেলিম মিয়া দাবি করেন, তার স্ত্রীর গলায় থাকা সোনার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর সময় ওই তিন নারীকে ধরা হয়।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে বাংলাদেশ পুলিশ-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, চুরি করলে আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে, তবে কেউ নিজ হাতে শাস্তি দিতে পারে না। কাউকে বেঁধে মারধর করা ও চুল কেটে দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। তিন নারীকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






























