ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক চাপ ও হামলার প্রেক্ষাপটে ইরান এবার আত্মসমর্পণের বদলে টিকে থাকার কৌশল নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংক ট্যাংক কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি বলেন, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের কৌশল ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করা, এমনকি লক্ষ্যভিত্তিক হত্যার মাধ্যমে নেতৃত্ব দুর্বল করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। তবে এ হিসাব ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
তার ভাষ্য, ইরান মনে করে যুদ্ধ তারা সহ্য করতে পারবে, কিন্তু আত্মসমর্পণ তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য হুমকি। এ কারণে নেতৃত্ব কোনোভাবেই নতি স্বীকারের পথে যাবে না।
পারসি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী পাঠালে ইরান ভয় পাবে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি ঘটেনি। বরং ইরানের নেতৃত্বের মূল্যায়ন, সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হলেও আত্মসমর্পণ তাদের জন্য আরও বিপজ্জনক।
বিশ্লেষণে বলা হয়, কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তন করলেই রাজনৈতিক কাঠামো বদলানো যায় না। পুরো ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া দরকার, যার সফলতা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের কৌশল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করা, যাতে প্রতিপক্ষের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
সূত্র: আল জাজিরা






























