সোমবার ২০ মে ২০২৪, জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪৩১

Aloava News24 | আলোআভা নিউজ ২৪

‘সানভিস বাই তনি’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত

মো. সাহিদ আহমেদ

প্রকাশিত: ১৩:০৬, ১৫ মে ২০২৪

আপডেট: ১৩:১৩, ১৫ মে ২০২৪

‘সানভিস বাই তনি’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত

ছবি: ইন্টারনেট

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বেশ আলোচিত সমালোচিত মুখ রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। যিনি পরিচিত ‘সানভিস বাই তনি’র নামে। রাজধানীতে পোশাক ও কসমেটিক্সের কয়েকটি শোরুম আছে তার। এছাড়া অনলাইনে ড্রেস বিক্রি করেন তিনি। এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন কোনো পোশাক বা কসমেটিক্স নিয়ে নয়, প্রতারণার অভিযোগে।

সোমবার (১৩ মে) গুলশান শুটিং ক্লাব এলাকায় পুলিশ প্লাজা মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়।

গতকাল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ফেসবুক লাইভে অভিযোগকারীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান ও ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল ও অভিযুক্ত সানভিস বাই তনি’র স্বত্বাধিকারী রোবাইয়াত ফাতেমা তনিসহ অভিযোগকারীর উপস্থিতিতে অভিযোগ সংক্রান্ত আলোচনা হয়।

সেখানে সঠিক কাগজপত্রের প্রমাণ, সঠিক ক্যাশম্যামো, নকল ও আসল পণ্য ক্রয় করার অভিযোগের বিষয়ে নিজে উপস্থিত হয়ে স্বীকার করেছেন এবং এবং ভবিষৎতে এমন হবেনা মর্মে লিখিত দিয়েছেন।

যথাযথভাবে পণ্য সরবরাহ না করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার ৪৫ ধারা অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও আদায় করেছেন। মিথ্যা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্রেতা সাধারণকে প্রতারণার কারনে ৪৪ ধারা অনুযায়ী ২ লক্ষ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়েছে। আদায়কৃত অর্থের ২৫৫ পাবেন অভিযোগকারী।

উল্লেখ্য- পাকিস্তানি বলে দেশি পোশাক বিক্রির অভিযোগে ‘সানভিস বাই তনি’র শোরুম সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্সও বিক্রি করা হতো ওই আউটলেটে।

অভিযান প্রসঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, ‘সানভিস বাই তনি’র অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস দেখায়, তবে ডেলিভারি দেয় দেশি ড্রেস। এভাবে ক্রেতাদের প্রতারিত করা হচ্ছে। এছাড়া এসব ড্রেস তারা চড়া মূল্যে বিক্রি করত।

এমনই বেশ কিছু অভিযোগ আসে ভোক্তা অধিদপ্তরের কাছে। এর পর ওই প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়। তবে ‘সানভিস বাই তনি’র পক্ষ থেকে কোনো জবাব আসেনি।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরও বলেন, যেহেতু ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো জবাব দেয়নি, উপস্থিত হয়নি, আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। এখানে এসে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়