বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬, কার্তিক ৫ ১৪৩৩

Aloava News24 | আলোআভা নিউজ ২৪

মো. সাহিদ আহমেদ

মো. সাহিদ আহমেদ

Md Sahid Ahmed (Bengali: সাহিদ আহমেদ ) a Bangladeshi Journalist, Social Activist, Traveller & internet personality Who is Mostly known as a Social Activist rather than Journalist. He was born in 1997 in Dhaka.This field has attracted young and dynamic youth and one such name is Md. Sahid Ahmed. He started his journalism career in 2015. He has worked in popular newspapers in Bangladesh. Currently, he is working as a Journalist of Daily Jugantor, a Leading  newspaper in Bangladesh. He got involved with the journalism profession since 2015. 

 

মো.সাহিদ আহমেদ একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, সামাজিক কর্মী, ভ্রমণকারী এবং ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব যিনি সাংবাদিক তথা একজন সামাজিক কর্মী হিসাবে পরিচিত তিনি ১৯৯৭ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পুরান ঢাকা বেড়ে ওঠেন এবং সেখানেই শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করেন। 

প্রারম্ভিক জীবন এবং শিক্ষা-

মোঃ সাহিদ আহমেদ ১৯৯৭ সালের ১৪ এপ্রিল পুরান ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ শাহাদাত হোসেন পুরান ঢাকার একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মা মাজেদা বেগম একজন গৃহিণী। তার দুই বোন আছে। পুরান ঢাকার জুরাইন আদর্শ সরকারি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন সাহিদ। তিনি জুরাইন আশরাফ মাস্টার হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেন, উত্তরখান কলেজিয়েট স্কুল এবং তিনি উত্তরা পাবলিক কলেজে অধ্যয়ন শুরু করেন, শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ থেকে স্নাতক মার্কেটিং (অনার্স) করেন।

পেশাগত জীবন ও সমাজসেবা

মোঃ সাহিদ আহমেদ ২০১৫ সালে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন। কর্মজীবনের শুরুতে আলোকচিত্রি হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের ছবি তুলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এরপর তিনি নিজেকে বিনোদন সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করেন। লিখতে থাকেন দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকা সহ আমেরিকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা আওয়াজ বিডিতে। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্র সহ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়াতে কাজ করেছেন। বর্তমানে, তিনি বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র দৈনিক যুগান্তরে সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনার আবির্ভাবের কারণে বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়ে। ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই স্থবির হয়ে পড়ে গোটা দেশ। ২৬ মার্চ, ২০২০-এ, সরকার দেশে একটি অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল।

গোটা দেশ যখন এক অদৃশ্য শত্রুর আতঙ্কে স্থবির অবস্থা। রাস্তায় মানুষ নেই, ব্যস্ত শহরের চারপাশে যেন শূন্যতায় ভুগছে মানুষ। এদিকে, তিনি একটি সামাজিক সংগঠনে যোগ দেন, যেটি স্বেচ্ছায় করোনা সন্দেহভাজন রোগীদের সেবা প্রদান করে। যেমন সর্দি, জ্বরে ভুগলেও দেখার কেউ নেই; হাসপাতালে নেওয়ার মতো কেউ নেই। সাহিদরা তাদের বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতেন। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি এই সংস্থা করোনা পরীক্ষা এবং হাসপাতালে ভর্তির দায়িত্বও নিয়েছে। শুধু তা করেই দায়িত্ব শেষ করেননি সাহিদ। ভর্তি রোগীদের সকল প্রয়োজনে তিনি পাশে ছিলেন।

কোনো রোগী মারা গেলেও সেই রোগীর লাশ গোসল করিয়ে জানাজা ও দাফন করতেন। এরই মধ্যে তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব এবং জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য নিহতের স্বজনদের কান্নার একটি ভিডিও তার নিজের ফেসবুকে শেয়ার করলে দেশের বিভিন্ন টেলি-মিডিয়ার নজরে পড়ে এবং তারা তাতে ছুটে আসে। এটা সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়। জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেনের সহায়তাও তখন হাসপাতালটিতে সরকার বাড়িয়েছে। হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ায়। এখানেও সাহিদের ভূমিকা অপরিসীম। এদিকে, তিনি নিজেই কোভিড পজিটিভ সন্দেহে জ্বর, সর্দি এবং কাশি নিয়ে ২৫ দিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন।

দেশে কোভিড-১৯ আবির্ভাবের পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কারে কোভিড রোগীদের বাঁচাতে প্লাজমা থেরাপি শুরু হয়। লকডাউন শিথিল হয়েছে, সর্বত্র প্লাজমা সংকট দেখা দিয়েছে। প্লাজমার প্রয়োজনীয়তা দেখে এবং করোনা থেকে সুস্থ হওয়া তরুণদের প্লাজমা দান করতে উৎসাহিত করে সাহিদ আহমেদ তিনিই বাংলাদেশে প্রথম প্লাজমার প্রয়োজনীয়তা লক্ষ করে অনলাইনে ‘প্লাজমা ব্যাংক অব বাংলাদেশ (কোভিড ১৯)’ নামক প্রথম প্লাজমা প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে গ্রুপটির সদস্য সংখ্যা ২ লাখের বেশি। যে গ্রুপ থেকে প্লাজমা এবং রক্ত ​​সরবরাহ করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে নানান সেবা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'সংঘ সাহায্যের এক অঙ্গীকার' তাকে করোনায় সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে অবদানের জন্য একটি সনদ ও প্রশংসাপত্র দিয়ে ভূষিত করেছে।

একই সময়ে, সাহিদ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সামাজিক সংস্থার সাথে যুক্ত যারা সমাজ গঠনে একটি নির্ভরযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এমনকি ওই সংস্থাগুলো জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী প্রযুক্তি শিক্ষা, উদ্যোক্তা, সামাজিক উদ্ভাবন এবং যুব উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে।

ইন্দোনেশিয়ার একটি বেসরকারি সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল গ্লোবাল নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। ইনস্টিটিউটটি যুব উন্নয়ন কর্মসূচিতে নিযুক্ত একটি সংস্থা। ব্যবসা, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং সামাজিক আন্দোলনে একে অপরের সাথে সহযোগিতা করার জন্য বিশ্বজুড়ে যুবকদের একত্রিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত। এছাড়াও, সহিদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদান রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, নেপাল, ভারত, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া সহ ছয়টি দেশের ৪০০ টিরও বেশি নির্বাচিত যুবকের অংশগ্রহণে এসডিজি যুব সম্মেলনে অংশ নেন। বাংলাদেশ সরকারের ২০৩০.

তিনি প্রতিনিয়ত নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে সচেষ্ট থাকেন। তারই ফলশ্রুতিতে তিনি স্বেচ্ছায় অসহায় রোগীদের অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসেন, করোনা পরীক্ষা, ভর্তি, অক্সিজেন সেবা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, দেশের শীতে কাতরদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।

২০২২ সালে, মোঃ সাহিদ আহমেদ প্রয়াস গ্রুপের সৌজন্যে ভারতের মেঘালয়ের উজানের পানিতে সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় বাস্তুচ্যুতদের পাশে ছিলেন। এতে তারা প্রায় ৫,০০০ বন্যার্তদের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার, চিকিৎসা সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি এবং খাবার স্যালাইন বিতরণের সাথে যুক্ত ছিলেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা-

▪️ স্কাউটস পুরস্কার - ২০১০

▪️ সেরা সক্রিয় নাগরিক পুরস্কার - ২০১৪

▪️ আওয়াজবিডি সেরা পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড - ২০১৭

▪️ কোভিড হিরো অ্যাওয়ার্ড - ২০২১

▪️ প্রয়াস আন্তর্জাতিক পুরস্কার – ২০২২

▪️ সংঘ সাহায্যের এক অঙ্গীকার সম্মাননা

একনজরে সাহিদ আহমেদ-

'পুরোনাম: মো. সাহিদ আহমেদ

জন্ম: ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭ ঢাকা, বাংলাদেশ 

পৈত্রিক ভিটা:  সিরাজদিখান, বিক্রমপুর (মুন্সিগঞ্জ)

পেশা: লেখক ও সাংবাদিক

কর্মজীবন: ২০১৫-বর্তমান

নিয়োগকারী: ( যমুনা গ্রুপ )

প্রতিষ্ঠান: দৈনিক যুগান্তর

পরিচিতির কারণ:  সাংবাদিকতা ও সমাজসেবা'