ছবি সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে নতুন মন্ত্রিসভার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। দলীয় সূত্র বলছে, অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে নির্বাচিত ও অনির্বাচিতদের নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।
দলটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও নীতিনির্ধারণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে চায়। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী তুলনামূলকভাবে বিতর্কমুক্ত কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীকেও ফেরানোর বিষয় বিবেচনায় আছে।
আলোচনায় রয়েছে দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি, ড. আব্দুল মঈন খানকে স্পিকার করার বিষয়টি। মির্জা আব্বাস (যোগাযোগ), সালাহউদ্দিন আহমেদ (স্থানীয় সরকার), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বাণিজ্য) ও এএনএম এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা) মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য দায়িত্বে আছেন বলে জানা গেছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছে। নজরুল ইসলাম খানকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
নতুন মুখ হিসেবে রুহুল কবির রিজভী (তথ্য ও সম্প্রচার, টেকনোক্র্যাট), ইসমাইল জাবিউল্লাহ (জনপ্রশাসন, টেকনোক্র্যাট), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি (স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) এবং হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, টেকনোক্র্যাট) আলোচনায় আছেন।
ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের নামও উঠেছে; মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে।
এদিকে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা অনুযায়ী শরিক দলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও মন্ত্রিসভায় রাখার চিন্তা রয়েছে। সম্ভাব্যদের মধ্যে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), নুরুল হক নুর (গণঅধিকার পরিষদ), ড. রেজা কিবরিয়া (অর্থ) এবং ১২ দলীয় জোটপ্রধান মোস্তফা জামাল হায়দারের নাম আলোচনায় রয়েছে।































